অনলাইনে ভর্তি বিড়ম্বনার শিকার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ

bauশাহীন সরদার, বাকৃবি : অনলাইন ভর্তি প্রক্রিয়ায় বিড়ম্বনার শিকার হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) চত্বরে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ (কেবি)। আজ বৃস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের চেযারম্যান প্রফেসর ড. সৈয়দ সাখাওয়াত হাসেন , কলেজের অধ্যাক্ষ প্রফেসর ড. এম আতাউর রহমান সহ অন্যান্য শিক্ষকমন্ডলী। সম্মেলনে তারা বিড়ম্বনার কথা তুলে ধরেন।

এসময় তারা বলেন, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তি  প্রক্রিয়া শুরু হয়। ডাকা বোর্ডের অন্যতম বৃহত্তর ময়মনসিংহের ঐতির্য্যবাহী কলেজ এটি। সকল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ১ম পছন্দের কলেজ এটি। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সংক্ষিপ্ত নাম ‘কেবি’ বহুল পরিচিতি লাভ করে কিন্তু পরিতাপের বিষয় এই যে, ‘কেবি’ কলেজের নামকে অনুসরন করে পরবর্তীতে পাশ্ববর্তী  এলাকায় ‘বিকেবি’ (বলাশপুর, কেওয়াটখালী, ভাটিকাশর ) নামে অপর একটি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

ফলে এসএমএস ও অনলাইনে ভর্তির ক্ষেত্রে ‘বিকেবি’ কলেজ নামটি ‘বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ’ নামের পূর্ণরুপ হিসাবে প্রচারিত হওয়ায় প্রায় ১৫০০-১৬০০ মেধাবী শিক্ষাথী বিভ্রান্ত হয়ে ভর্তির জন্য রেজিস্টেশন কার্যক্রম সম্মন্ন করেছে। এমতাবস্থায় প্রকৃত তথ্য জানার পর মেধাবী শিক্ষার্থীরা গুনগত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছে।

এ বিষয়ে কলেজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন, ‘কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ’ এর মত ঐতিয্যবাহী কলেজগুলোর মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের বিনীত অনুরোধ জানান সেই সাথে এই বিভ্রান্তিকর নাম পরিহার করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এম আতাউর রহমান, সরকারকে এই ডিজিটাল উদ্যেগ গ্রহনের জন্য সাধুবাদ জানিয়ে বলেন এই ব্যবস্থায় বিড়ম্বনা ও জালিযাতির সুযোগ থাকায় এই বছর ভর্তি প্রক্রিয়া যার যার কলেজে ছেড়ে দিয়ে আগামী বছর থেকে ত্র“টিমুক্ত করে অনলাইনের ভর্তির প্রক্রিয়া শুরুর কথা বলেন।

news portal website developers eCommerce Website Design