আ.লীগ নেতার প্রতিষ্ঠান থেকে অস্ত্র উদ্ধার

dhaসুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জে শনিবার বিকেলে পুলিশ ইতি টেলিকম নামের একটি দোকান থেকে বিপুল পরিমান দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধারসহ ৩জনকে গ্রেফতার করেছে। রবিবার সকালে  গ্রেফতারকৃত হাজি আমির আলীসহ  ৩ জনকে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার গোবিন্দগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এরপর পর থেকে গোবিন্দগঞ্জে থমথমে পরিস্থি’তি বিরাজ করছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে এখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিলো। শনিবার ছাতক পৌর মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী গ্রুপের যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা নিজাম উদ্দিন ও রহিম উদ্দিন প্রতিপক্ষ সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক গ্রুপের যুবলীগ ও ছাত্রলীগ কর্মী রইছ আলী ও রিপনের সাথে সংঘর্ষের প্রস্তুতির লক্ষ্যে তাদের মালিকানাধীন ইতি টেলিকমে অস্ত্রশস্ত্র এনে মজুদ করে।

শনিবার বিকেলে পুলিশ ঘটনাটি জানতে পেরে ছাতক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ম্যাজিষ্টেট মাসুম বিল্লাহর নির্দেশে বন্ধ থাকা ইতি টেলিকমের দরজা খুলে বিপুল পরিমান অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এসময় ইতি টেলিকম থেকে রামদা, কিরিছ, দা, ষ্টিলের পাইপসহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করেন তারা। এদিকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আবদুর রহিম জানান, এমপি মানিক গ্রুপের ছাত্রলীগ ও যুবলীগ কর্মীরা গোবিন্দগঞ্জে বিভিন্ন দোকানে বিপুল পরিমান অস্ত্রশস্ত্র মজুদ করে রেখেছে।

অথচ পুলিশকে এগুলো দেখানোর পরও তারা এসব অস্ত্র উদ্ধার করেনি। নিজেদের আত্মরক্ষার জন্যে তারা এ পথ বেছে নিয়েছেন। তারা পুলিশের পক্ষপাতিত্বের জন্যে নিন্দা জানান। বৃহস্পতিবারের ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্র্ষের ঘটনায় তজম্মুল আলী রিপনের দায়েরি দ্রুত বিচার আইনের মামলার এজাহারভূক্ত আসামী ও ইতি টেলিকমের স্বত্বাধিকারী হাজি আমির উদ্দিন (৫৫) কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

এ ঘটনায় নূর উদ্দিন (২৪) ও সেলিম (২৫) কেও আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা মেয়র কালাম গ্রুপের লোক বলে জানান এলাকাবাসী।

news portal website developers eCommerce Website Design