ছেলে হত্যায় মায়ের যাবজ্জীবন, প্রেমিকের ফাঁসি বহাল

high courtঢাকা : নরসিংদীতে শিশু শিহাবুর রহমান পায়েল হত্যা মামলায় তার মা আফরোজা সুলতানার যাবজ্জীবন ও নুপুরের কথিত ‘প্রেমিক’ গাজী আবদুস সালাম ওরফে রাজীবের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।

নিম্ন আদালতের মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করার আবেদন (ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিল) ও আসামিদের আপিল শুনানি করে বিচারপতি হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০৬ সালে নরসিংদীর পলাশ থানার পণ্ডিত পাড়ার সিঙ্গাপুর প্রবাসী সোহরাব হোসেন ভূঁইয়া মামুনের ছেলে শিহাবুর রহমান পায়েলকে হত্যার ঘটনায় নিম্ন আদালত ২০০৯ সালে দুই আসামিকে ওই সাজা দেয়।

এই দুই আসামি পায়েলের মা নুপুর ও তার কথিত প্রেমিক উজ্জ্বল বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন বলে আইনজীবী সুত্রে জানা গেছে।

শুনানিতে আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট শাহজাহান কবীর এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল এম মন্নান মোহন এবং সহকারী অ্যাটর্নি  জেনারেল  আমিনুর রহমান চৌধুরী।

জানতে চাইলে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল  আমিনুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘পরকীয়ার জের ধরে সাড়ে তিন বছরের শিশু শিহাবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার মায়ের যাব্জ্জীবন এবং তার কথিত প্রেমিক গাজী আব্দুস সালাম ওরফে উজ্জল ওরফে রাজীবকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আদালতে শুনানিকালে আমরা বলেছি, শিশু  শিহাবুর রহমান পায়েলের কোনো শত্রু নেই। পরকীয়ার কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে। পায়েলের মা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্ধিতে বলেন, আমার সঙ্গে সালামের প্রেম ছিলো। এ বিষয়গুলো আমলে নিয়ে আদালত আসামিদের দণ্ড বহাল রেখেছেন।’

জানতে চাইলে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহজাহান কবীর বলেন, ‘হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের রায় বহাল রেখেছে। এ রায়ের বিরুদ্ধে আমরা আপিল দায়ের করবো’।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০৬ সালে নরসিংদীর পলাশ থানার পন্ডিত পাড়ার সিঙ্গাপুর প্রবাসী সোহরাব হোসেন ভুঁইয়া মামুনের সাড়ে তিন বছরের ছেলে পায়েলকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ২০০৯ সালে তার মা আফরোজা সুলতানা নুপুরকে যাবজ্জীবন এবং নুপুরের কথিত ‘প্রেমিক’ গাজী আবদুস সালাম ওরফে উজ্জ্বল ওরফে রাজীবের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলো নিম্ন আাদলত। বর্তমানে এ দুই আসামি কারাগারে রয়েছেন।

news portal website developers eCommerce Website Design
Close ads[X]