সাপাহরে আজও কালের সাক্ষী দন্ডায়মান বট গাছ

treeজাহাঙ্গীর আলম মানিক, সাপাহার(নওগাঁ) : কালের ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে প্রায় অর্ধশত বছর পেরিয়ে আজও দন্ডায়মান হয়ে রয়েছে সাপাহারের বটগাছটি। এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, সাপাহার উপজেলার অন্তর্গত মানিকুরা গ্রামের রাস্তার পার্শ্বে শিব মন্দিরের উপর জন্ম নেওয়া এই বটগাছটি প্রায় অর্ধশত বছর পেরিয়ে গেছে। প্রায় ৭০/৮০ বছর আগে সনাতন সম্প্রদায়ের কোন এক ব্যাক্তি রাস্তার পার্শ্বে একটি শিব মন্দির স্থাপন করেন। মন্দিরের ভিতর নিখুত ভাবে স্থাপন করেন শিবের প্রতিমূর্তি। মন্দিরের উপরদেশে জন্ম নেয় একটি বট গাছের চারা। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে সেই চারা।

পরে সেটি বিশালাকার বটবৃক্ষে পরিনত হয়। প্রতি বছর এই মন্দিরে বট গাছের নিচে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ভক্তির সাথে পাঁঠা বলীদান করে। তাদের মধ্যে কারও কোন রোগ ব্যধী হলে এই মন্দিরে অবস্থিত শিবের পাদদেশে বিভিন্ন মান্নত করে বলেও জানা গেছে। এছাড়াও প্রতি বছর জৈষ্ঠ মাসে বটগাছটির চতুর্দিকে লাগে মেলা। আর এ মেলাতে হরেক রকমারী দ্রব্যর সমাহার বসে। পুজার সময় যেন বটগাছটিই হয়ে উঠে ধর্মপ্রান হিন্দুদের দেবতা। প্রতি পুজাতে গ্রামের গৃহ বধুরা বটগাছটির নিচে নতজানু হয়ে প্রর্থনা করে তাদের মনস্কামনা।

সব মিলিয়ে এই বটগাছটি যেন সেই আদিম সনাতন সভ্যতার ইতিহাস ও ঐতিহ্যর সারকথা আজও সবার সামনে তুলে ধরে আছে। ভবিষ্যতেও জাগ্রত দেবতা এই বটবৃক্ষটি ঐতিহ্য বহন করবে এমনটাই প্রত্যাশা এলাকার ধর্মপ্রান হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের।

news portal website developers eCommerce Website Design