বহিস্কৃত আ.লীগ নেতাকে যশোরে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার পায়তারা

Bangladesh Awami League jessore map

Bangladesh Awami League jessore mapস্টাফ রিপোর্টার, যশোর : আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বহিস্কৃত নেতার প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করায় তৃর্ণমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে দলের ভরাডুবির আশঙ্কা করছেন তৃর্ণমূলের নেতাকর্মীরা। তারা বহিস্কৃত নেতাসহ তার সমর্থকদের আবারও বহিস্কারের দাবি তুলেছেন।

জানা গেছে, তৃর্ণমূলের মতামতের ভিত্তিতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা আওয়ামী লীগ। এ নিয়ে দলের জেলা সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন ও সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার রুদ্ধতার বৈঠকে বসেন যশোর সার্কিট হাউজে। এতে ভোটাভুটির সিদ্ধান্ত নেয় দুই নেতা। কিন্তু পরদিন সকালে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসরাম মিলন তার পচ্ছেন্দের প্রার্থীর নামের তালিকা নিয়ে ঢাকায় চলে যান।

এর ফলে ভেস্তে যায় তৃর্ণমূলের মতামত। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন যে তালিকা করেছেন সেই তালিকায় বিতর্কিত ব্যক্তিদের নাম রয়েছে। বিশেষ করে এক বহিস্কৃত নেতার নাম থাকায় এই বিতর্কিত সৃষ্টি হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন বহিস্কৃত সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহরাব হোসেনের নাম। সোহরাব হোসেনকে সদর উপজেলার ১২ নং ফতেপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে শহিদুল ইসলাম মিলন ঘোষণা করেছেন। এ কারণে তৃর্ণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীরা জানায়, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহরাব হোসেন বিগত উপজেলা নির্বাচনের সময় দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদারের বিপক্ষে ভোট করেন। তিনি সে সময় দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে গিয়ে সাবেক এক সংসদ সদস্যর ছেলের পক্ষে ভোটের মাঠে নামেন। এ কারণে তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়।

শুধু তাই নয়, গত পৌর নির্বাচনের সময় ওই বহিস্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা আবারও দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে ভোট করেন। তিনি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এস এম কামরুজ্জামান চুন্নুর পক্ষে ভোট করেন। আগেই দল থেকে বহিস্কার হওয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে পারেননি জেলা আওয়ামী লীগ।

এ বার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম বহিস্কৃত নেতা সোহরাব হোসেনের নাম দেওয়ায় দলের নেতাকর্মীদেও মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তাদের প্রশ্ন কি কারণে বহিস্কৃত নেতাকে দলীয় মনোনয়ন দিতে চান জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা রআওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুসার নাথকে কয়েক বার ০১৭১২-৬৯৮৮০১ নং মোবাইলে ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

news portal website developers eCommerce Website Design
Close ads[X]