যে কারণে রাতে ফাঁসি দেয়া হয়

hangওয়ান নিউজ ডেস্ক : মানবতাবিরোধী অপরাধে শনিবার রাতে কাশিমপুর কারাগারে মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। শুধু মীর কাসেম আলীই নয় প্রতিটি ফাঁসির আসামিকেই ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলানো হয় রাতে। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, কেন দিনে নয়; রাতেই ফাঁসি দেয়া হয়? বেশ কয়েকটি কারণে একজন আসামিকে রাতেই ফাঁসি দেয়া হয়ে থাকে। দেখে নিন সেসব কারণ-

>> ফাঁসি কার্যকর করতে গিয়ে জেলের অন্যান্য প্রশাসনিক কাজকর্ম যাতে কোনোভাবে ব্যাহত না হয়, সেদিকে নজর রাখা হয়। সেকারণেই জেলের দৈনন্দিন কাজকর্ম শুরু হওয়ার আগেই ফাঁসির বিষয়টি সেরে ফেলা হয়। ফাঁসি হয়ে যাওয়ার পর জেল কর্তৃপক্ষকে অনেকগুলো দায়িত্ব পালন করতে হয়। যেমন, মৃতদেহের ডাক্তারি পরীক্ষা, বিভিন্ন নথিপত্র তৈরি, মৃতের পরিবারবর্গের হাতে মৃতদেহ হস্তান্তর ইত্যাদি। এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জেলের অন্যান্য প্রশাসনিক কাজ যাতে বাধাপ্রাপ্ত না হয়, তা সুনিশ্চিত করতেই রাতেই সেরে ফেলা হয় ফাঁসির কাজটি।

>> ফাঁসি হয়ে যাওয়ার পর মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেয়া হয়। ফাঁসি সূর্যোদয়ের আগে হলে দেহটা পরিজনদের হাতে সকাল সকালই তুলে দেয়া যায়। ফলে পরিবারের তরফেও দাফন করার খানিকটা সময় থাকে।

>> ফাঁসি দেয়ার সময় চেষ্টা করা হয়, আসামিকে যেন অতিরিক্ত মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করতে না হয়। দিনের মাঝামাঝি কোনো সময় ফাঁসিকে কার্যকর করা হলে, মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে প্রবল মানসিক চাপ ভোগ করতে হয় আসামিকে। সেকারণেই রাতেই ফাঁসিতে ঝোলানো হয় তাকে।

>> বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ফাঁসির ঘটনাগুলো অনেক সময় আপত্তিকর সামাজিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ফাঁসির সাজার বিরুদ্ধে নাগরিক সমাজে জনমত তৈরি হয়। বিভিন্ন গণআন্দোলন ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়ে থাকে। মানুষ জেগে ওঠার আগেই সেরে ফেলা হয় ফাঁসির কাজ।

news portal website developers eCommerce Website Design