জামায়াত-বিএনপিকে দলে টানছেন এমপি ওদুদ

chapaiওয়ান নিউজ বিডি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ : চাঁপাইনবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগে নেই আওয়ামী লীগ। এলাকার মানুষ বিদ্রূপ করে বলেন, ‘আওয়ামী জামায়াত লীগ’। গত দেড় বছরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের এমপি আবদুল ওদুদের হাত ধরে হত্যা, নাশকতা, বিস্ফোরক ও অস্ত্র মামলার আসামি জামায়াত শিবিরের নেতারা আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছে। তারা ওদুদের সঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচিতেও অংশ নিচ্ছেন। গত ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আবদুল ওদুদ শহীদ মিনারে ফুলও দিয়েছেন।

এদিকে ২৬ ডিসেম্বর এমপি ওদুদ সদর উপজেলার বারঘরিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল খায়েরসহ তিন জামায়াত নেতার হাত থেকে নৌকা ও ফুলের তোড়া নিয়ে তাদের দলে নেন। আবুল খায়ের নাশকতার চারটি মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি বলে পুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। এর আগে ২ অক্টোবর জেলা শিল্পকলা একাডেমি হলে এমপি ওদুদের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা সোহরাব আলী, জামায়াতের সহযোগী সংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সদস্য আফরোজ জুলমাত আলী, জামায়াত নেতা আবদুল্লাহেল বাকী, জামায়াত নেতা মিজানুর রহমান, বিএনপি নেতা মাসিদুল হক মাসুদসহ পাঁচ শতাধিক জামায়াত ও বিএনপি নেতা। এদের মধ্যে বিএনপি নেতা মাসিদুল হক মাসুদ ছাড়া শীর্ষ চার জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে হত্যা, নাশকতা ও বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিটও হয়েছে।

এসব চিহ্নিত ব্যক্তিকে আওয়ামী লীগে যোগদানের ব্যাপারে এমপি আবদুল ওদুদের ভাষ্য, বিভিন্ন দল থেকে লোকজন আওয়ামী লীগে আসায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ শক্তিশালী হচ্ছে। আওয়ামী লীগের ভোট বেড়েছে। তবে দলের ভেতরের কেউ কেউ এটা পছন্দ করেন না। যারা পছন্দ করেন না তারা কোনো কাজেও আসেন না। এখানে ভোটের রাজনীতি গুরুত্বপূর্ণ।

দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে আওয়ামী লীগ চালাচ্ছে জামায়াত-বিএনপি থেকে আসা নেতাকর্মীরাই। এমপি ওদুদের সঙ্গেও তারাই থাকছেন। প্রকৃত আওয়ামী লীগ করেন এমন কাউকে এমপি ওদুদের সঙ্গে খুঁজে পাওয়া যাবে না। এখানে জামায়াত-বিএনপি থেকে আসা নেতাকর্মীরাই নিয়ন্ত্রণ করছে হাট-ঘাট, বালুঘাট, টিআর-টেন্ডারসহ লাভজনক সব কাজ। এমপি ওদুদ আওয়ামী লীগের টিকিটে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসন থেকে পরপর দু’বার নির্বাচিত হলেও শুরু থেকেই প্রতিনিধিত্ব করছেন বিএনপি-জামায়াতের। দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা এমপি ওদুদের এই দলবিমুখ অপতৎপরতার বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ দিয়ে কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করলেও কোনো লাভ হয়নি। বরং তারাই নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরাই এসব তথ্য দিয়েছেন।

নেতাকর্মীরা আরও অভিযোগ করেছেন এমপি ওদুদের কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগ। আর তার বিতর্কিত ভূমিকার কারণে এই জেলায় সরকারের ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আওয়ামী লীগে এসেছেন মুক্তিযোদ্ধা জালাল হত্যা মামলার আসামি দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার মিজানুর রহমানসহ জামায়াতের শীর্ষ কয়েকজন নেতা। এসব নিয়ে দেশব্যাপী তোলপাড় হলেও এমপি ওদুদের কোনো ভাবান্তর নেই। দলীয় নেতাকর্মীরা আরও জানান, জেলায় জামায়াতের এসব শীর্ষ নেতাদের আওয়ামী লীগে যোগদানের বিরোধিতাও ছিল নেতাকর্মীদের পক্ষে। কিন্তু ওদুদ কিছুই আমলে নেননি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আওয়ামী লীগে যোগদানকারী জামায়াত নেতা মাওলানা সোহরাব আলীর বিরুদ্ধে র‌্যাব পুলিশের ওপর হামলাসহ নাশকতার মোট ৭টি মামলা রয়েছে। সাবেক ছাত্র শিবির নেতা মিজানুর রহমান মিজান মুক্তিযোদ্ধা জালাল হত্যা মামলাসহ একাধিক নাশকতা মামলার আসামি। যোগদানকারী অন্যদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের একাধিক মামলা রয়েছে।

এদিকে জামায়াত-বিএনপির এসব নেতার দলে যোগদান প্রসঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মঈনুদ্দীন মণ্ডলের বিরুদ্ধে ওদুদকে সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে। তবে তিনি বলেন, জামায়াত-বিএনপি নেতাদের যোগদানের বিষয়গুলো সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ দেখে। যারা দলে আসছে তারা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগে যোগ দিচ্ছে। আমি তো জেলার রাজনীতি করি। সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি তসিকুল ইসলাম বলেন, কেউ নিজের ইচ্ছায় দলত্যাগ করছেন, আবার কেউ মামলা-হামলার ভয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দিচ্ছেন।

জামায়াত নেতাদের আওয়ামী লীগে যোগদানের ওই সময় পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান তার প্রতিক্রিয়ায় ওই সময় বলেছিলেন, স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত শিবিরের চিহ্নিতদের দলে নেয়ার ফলাফল ভালো হবে না। এটা আওয়ামী লীগের আদর্শবিরোধী কাজ। মিজানুর রহমান আরও জানান, তার পক্ষের নয় বলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর কমিটির অনুমোদন আটকে রেখেছেন এমপি ওদুদ। ২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর সম্মেলনের মাধ্যমে পৌর কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের এমপি আবদুল ওদুদ বলেন ‘জামায়াত থেকে আওয়ামী লীগে এসে তারা এখন জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলছে- এটাই আমাদের কৃতিত্ব। দলে এসে তারা যদি সংশোধন হয় তাতে ক্ষতি নেই।’ পৌর কমিটি আটকে রাখা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অভিযোগ থাকায় কমিটির অনুমোদন হয়নি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউপিতে দুই আওয়ামী লীগ কর্মী হত্যা মামলার আসামি যুদ্ধাপরাধীর ছেলে আলমগীর কবিরকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছিলেন ওদুদ। আলমগীর কবির এখন তার সঙ্গী। এ ছাড়া অন্য ইউনিয়নগুলোতেও বিএনপি ও জামায়াত থেকে আসাদের প্রার্থী করেছিলেন। এসব মনোনয়নে বিপুল পরিমাণ টাকার লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, এমপি ওদুদ একদিকে যেমন জামায়াত-বিএনপি থেকে আসাদের পুনর্বাসন করছেন তেমনি দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা তার হাতে নির্যাতিত হচ্ছেন- এমন অভিযোগও রয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জিয়াউর রহমান তোতা ও তার ভাই ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি টিপুকে একটি হত্যাসহ একাধিক মামলায় জড়িয়ে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে ওদুদের বিরুদ্ধে। তোতার বাবা প্রয়াত নাসির উদ্দিন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ছাত্রলীগ নেতা তোতার পরিবারের অভিযোগ, আবদুল ওদুদ আওয়ামী লীগের টিকিটে এমপি হলেও মনেপ্রাণে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের দেখভাল করেন। অভিযোগ রয়েছে সদর নির্বাচনী এলাকার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে প্রকৃত আওয়ামী লীগ করেন যারা তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে ও জামায়াত-বিএনপি থেকে আসা নব্যদের দিয়ে নির্যাতন করছেন ওদুদ।

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ এজাবুল হক বুলি যাকে ওদুদের সব কাজের নিয়ন্ত্রক বলা হয়, যিনি আওয়ামী লীগে আসার আগে পৌর যুবদলের সভাপতি ছিলেন। এই বুলি জামায়াত-জোট সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একাধিক হয়রানিমূলক মামলা করেছিলেন। বুলি তার ক্যাডার বাহিনী দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ব্যাপক নির্যাতন করেন ওই সময়।

ওদুদের আরেকজন কাছের মানুষ বাবুল কুমার ঘোষ জোট সরকারের আমলে ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। এখন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক। এই ঘোষ অতীতে আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুর করে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি পুড়িয়ে উল্লাস করেছিলেন। ঘোষ সীমান্তে ভারতীয় গরুর বিট খাটাল নিয়ন্ত্রণ করেন। এই খাত থেকে অবৈধভাবে লাখ লাখ টাকা কামাই করেন। ওদুদের ট্রাক দেখভাল করেন। তবে সম্প্রতি সীমান্তের একটি গরু বিটের দ্বন্দ্বে ওদুদ থেকে ছিটকে পড়েছেন ঘোষ।

জানা যায়, এমপি ওদুদ নিজেও ছিলেন বিএনপির সহযোগী সংগঠন কৃষক দলের জেলা সভাপতি। বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে এসে ওদুদ দলে নিজের অবস্থান নিরঙ্কুশ করতে পাইকারি হারে জামায়াত-বিএনপির বিতর্কিত নেতাকর্মীদের দলে ভেড়ান। বিএনপির সাবেক নেতা ও বর্তমানে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবিরের বাবা হুমায়ুন কবীর ছিলেন যুদ্ধাপরাধী। সদর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে একাধিক নাশকতার মামলা থাকলেও তাকে দলে নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র করেছেন ওদুদ। ওদুদের হয়ে বুলি জেলার সব টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করেন। বুলিকে এমপি ওদুদ একসময় ঠিকাদার সমিতির আহ্বায়কও করেছিলেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগে আরও জানা গেছে, এমপি আবদুল ওদুদ বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। জেলায় একক আধিপত্য সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন পৌর ও উপজেলা কমিটিগুলোকে বছরের পর বছর অনুমোদন না দিয়ে বিকল্প নেতৃত্ব তৈরি করে দলের ভেতরে কোন্দল জিইয়ে রেখেছেন। এর আগে শিবগঞ্জ আসনের এমপি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান ও শিবগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি কারিবুল হক রাজিনকে দল থেকে বহিষ্কার করেন। সর্বশেষ গত ১৫ অক্টোবর পৌর পার্কে যুবলীগের এক সমাবেশে আবদুল ওদুদ এই তিন নেতা ছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের এমপি গোলাম মোস্তফাসহ তার প্রতিপক্ষ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন। তবে জেলা পরিষদ ভোটকে কেন্দ্র করে এমপি রাব্বানীর সঙ্গে আপোসের চেষ্টা করেন।

গত ইউপি নির্বাচনে নেতাকর্মীদের মতামতকে উপেক্ষা করে সদরসহ জেলার ৪৭টি ইউনিয়নে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে আবদুল ওদুদের বিরুদ্ধে। তবে নির্বাচনে ওদুদ মনোনীতদের অনেকেই জামানত হারান। এ নিয়ে দলের তৃণমূল পর্যায়ে কোন্দল এখনও চলছে। এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্তের কারণে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিশেষ করে পৌর ও ইউপি নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে।

এদিকে এমপি আবদুল ওদুদের বিরুদ্ধে প্রশাসনে হস্তক্ষেপেরও অভিযোগ রয়েছে। জেলা বিশেষ শাখার এক প্রতিবেদনে জেলার আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখার ক্ষেত্রে এই এমপির ভূমিকাকে অন্তরায় বলে উল্লেখ করা হয়েছিল গত বছর। প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা এমপি ওদুদের অবৈধ সুপারিশ না শুনলে তার বিরুদ্ধে ডিও লেটার দিয়ে বদলি বা শাস্তির দাবি করেন তিনি। এ কারণে পুলিশ প্রশাসন সব সময় অস্থির থাকে।

অভিযোগ রয়েছে বাবুল ইসলাম নামের এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার পরিবারের বাড়ি দখলে রাখার। আদালতের রায় থাকার পরও এই বাড়িতে চেম্বার করে বসেন তিনি।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এমপি আবদুল ওদুদ বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে ৩০ বছর আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী কোনো ভোটে জিততে পারেননি। আমি মনোনয়ন পেয়েই আসনটি পায় আওয়ামী লীগ। আমি অন্য দল থেকে আসায় স্বাভাবিকভাবে অন্য দলের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগে এসে দল করছে। তাদের কারণে দল শক্তিশালী হয়েছে। জামায়াত হোক বা বিএনপি হোক- দলে নেতাকর্মী বেড়েছে বলে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগের ভোট বেড়েছে। এটা খারাপ কিছু না।

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বাবুল ইসলামদের বাড়ি দখলে রাখা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাড়িটি আদালতের রায়ে বাবুল ইসলামরা পেয়েছে। বাড়ি বুঝিয়ে দেবে জেলা প্রশাসন। ওরা আমার কাছে ঘুরলে আমি তো বাড়ি বুঝিয়ে দিতে পারি না। শিবগঞ্জ উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের তিন নেতার বহিষ্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দল করতে হলে নিয়ম মানতে হবে। যাদের বহিষ্কার করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে।যুগান্তর

news portal website developers eCommerce Website Design
Close ads[X]