পলাশে জমি বিক্রির নামে প্রতারণা : ১১ লাখ টাকা নিয়ে পলায়ন

আল-আমিন মিয়া, নরসিংদী : নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড বালুচর পাড়ার শাহাজ উদ্দিনের ছেলে শহীদ হোসেন নামে এক প্রতারক জমি বিক্রির নামে বিদেশ ফেরত রহিমা বেগমের ১১ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নরসিংদী জেলা আদালতে দুইটি মামলা দায়ের করেছে রহিমা বেগম।

দুটি মামলায়ই শহিদের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। তার পর থেকেই গাঁ ঢাকা দিয়েছে শহীদ হোসেন।

সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ ও আদালতে মামলার বিবরনে জানা গেছে, বিগত ১৪/৩/২০১৪ইং তারিখে শহিদের কাছ থেকে ৪ শতাংশ জমি ১১ লাখ টাকা মূল্য ধরে ৩ লাখ টাকা বায়না করে রহিমা বেগম। এবং ওই দিনই কাজের জন্য দেশের বাহিরে জর্ডান চলে যায় রহিমা বেগম। জার্ডনে থাকা অবস্থায় শহীদের কাছ থেকে ক্রয়কৃত জমির বাকী টাকাগুলো ওয়েষ্টন ইউনিয়নের মাধ্যমে এবং স্বর্ণালংকারের মাধ্যমে পরিশোধ করে রহিমা বেগম। তার পরবর্তীতে জর্ডান থেকে দেশে ফিরে শহীদের কাছ থেকে ক্রয়কৃত জমি রেজিষ্ট্রি করে দেওয়ার জন্য বললে আজ নয় কাল বলে তালবাহানা করতে থাকে শহীদ। তার পর লোক মারফত জানতে পারে রহিমা বেগমের বায়নাকৃত জমি অন্যত্র বিক্রি করে দিয়েছে শহীদ।

তার পরের দিনই রহিমা বেগম শহীদের কাছে তার পাওনা টাকা ফেরত চাইলে শহীদ রহিমাকে প্রাণ-নাশের হুমকি দেয়। এব্যাপারে স্থানীয় ভাবে আপোষের চেষ্টা করেও কোনো লাভ হয়নি রহিমা বেগমের। অবশেষে আদালতে গিয়ে জমি বিক্রির নামে রহিমা বেগমের ১১ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও চেক দিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগ এনে দুটি মামলা দায়ের করেন তিনি। মহামান্য আদালত সব স্বাক্ষী প্রমাণ দেখে দুটি মামলা-ই শহীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। তার পর থেকেই পালিয়ে রয়েছে শহীদ। এদিকে শহীদ হেসেনকে প্রশাসনের কাছে ধরিয়ে দিতে পারলে নগদ ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন রহিমা বেগম।

news portal website developers eCommerce Website Design
Close ads[X]