শিক্ষক কর্তৃক ৩য় শ্রেণীর ধর্ষিত শিশুকে দেখতে হাসপাতালে পুলিশ সুপার

মোরশেদ আলম, চাঁদপুর প্রতিনিধি : মাদ্রসার শিক্ষক কর্তৃক ৩য় শ্রেণীর ধর্ষিত শিশুকে হাসপাতালে দেখতে চাঁদপুরের পুলিশ সুপার।  পুুুলিশ শামসুন্নাহার পিপি এম বৃহস্পতিবার দুপুরে আড়াই’শ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের গাইনী ওয়ার্ডে ৯ বছর বয়সী ধর্ষিত শিশুর শয্যা পাশে গিয়ে চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজ খবর নেন এবং ঘটনার সম্পর্কে জানেন।।

এসময় পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার বলেন, বর্তমান সময়ে অভিবাবকরা শিশুদের প্রতি ততটা যত্নবান না হয়ে যাদের ১৫/১৬ বছর মেয়ে রয়েছে তারা তাদের প্রতিই বেশি নজর রাখছেন। শিশুদের প্রতি অভিবাকদের যত্নবান না হওয়ায় অপরাধীরা শিশুদেরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের সাথে এসব ঘটনা ঘটাতে সুযোগ পায়। এজন্য প্রত্যেক অভিবাবকদেরকে শিশুদের প্রতি আরো যত্নবান ও সচেতন হতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ওইদিনই শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছি, এবং সেদিনই আমরা অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। তাকে আদালতে সোর্পদ কারার পর সে ধর্ষনের ঘটনার কথা স্বীকার করেছে। তাকে আইনের আওতায় রেখে আমরাও তার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি। যাতে করে ভবিষ্যতে আর কোন লোক এমন ঘটনা না ঘটাতে পারে।

এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওয়ালী উল্ল্যাহ অলি, শাহরাস্তি থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান, এস আই মোঃ বাছির আলমসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।

উল্লেখ্য,  গত  ৩১ জুলাই দুপুরে শাহরাস্তি পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের বাত্ত্বলা গ্রামের বাত্ত্বলা আলীমুল কোরআন নুরানী মাদ্রাসার অফিস কক্ষে শিক্ষক ওহিদুজ্জামান (৩০) মাদ্রাসার ৩য় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। সন্ধ্যায় তার মা তাকে শাহরাস্তি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেলেক্সে প্রেরণ করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে চাঁদপুর আড়াইশ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।  শিশু মেয়েটির মা বাদী হয়ে শাহরাস্তি থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরর পর শাহরাস্তি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক ওহিদুজ্জামান দীপুকে আটক করে। ১ আগস্ট তাকে চাঁদপুর অদালতে নেয়া হলে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।

news portal website developers eCommerce Website Design
Close ads[X]