স্কুল শাখা ছাত্রলীগ নেত্রীকে ‘ধর্ষণ’ : জেলা নেতা বহিষ্কার

Reyad

Reyadপাবনা: সংগঠনের স্কুল শাখার এক নেত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি রিয়াদ হোসেনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের জরুরি এক বৈঠকে রিয়াদকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এই সিদ্ধান্তের একটি বিজ্ঞপ্তি সংগঠনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

রিয়াদকে বহিষ্কারের বিষয়ে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. একরামুল হক জানান, গতকাল রাত ১২টায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ছাত্রলীগের এক নেত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে রিয়াদ হোসেনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গত মঙ্গলবার দুপুরে থানায় মামলা করেন ওই নেত্রীর মামা। সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তিনি মামলাটি করেন। শুনানি শেষে বিচারক শহিদুল ইসলাম মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার আরজিতে বাদী উল্লেখ করেন, সাত-আট মাস আগে ছাত্রলীগ নেতা রিয়াদ হোসেন স্কুল কমিটি গঠনের সময় ওই ছাত্রীর সঙ্গে পরিচিত হন। পরে তাকে কমিটিতে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতির পদও দেওয়া হয়। এই সূত্র ধরেই উভয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রলোভনে তা একপর্যায়ে দৈহিক সম্পর্কে রূপ নেয়। এই অবস্থায় গত ১৩ অক্টোবর ছাত্রলীগ নেতা রিয়াদ ওই শিক্ষার্থীকে চরচালায় অবস্থিত তাঁর মেসে ডেকে নিয়ে তাকে আবার ধর্ষণ করেন।

বিষয়টি প্রকাশ করে দেওয়ার জন্য ভয়ভীতি দেখালে রিয়াদ ওই ছাত্রীকে মারধর করেন। খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হয়ে রিয়াদের আরো পাঁচ সহযোগী ওই ছাত্রীকে মারধর করেন। পরে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে তাকে তাড়িয়ে দেন। এরপর ওই শিক্ষার্থী তার স্বজনদের বিষয়টি জানায় এবং বাবাকে নিয়ে থানায় মামলা দায়ের করতে যায়।

এই সংবাদ পেয়ে অভিযুক্তরা থানায় গিয়ে পুলিশের সামনে আবার ওই শিক্ষার্থীকে মারধর করেন এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে আবার সাদা কাগজে বাবা-মেয়ের স্বাক্ষর নিয়ে তাদের থানা থেকে বের করে দেন। যে কারণে দেরিতে হলেও ঘটনার বিষয়ে তাঁরা আদালতে যান বলে আরজিতে উল্লেখ করেছেন মামলার বাদী।

news portal website developers eCommerce Website Design