অস্ত্রের মোকাবেলা কীভাবে আ.লীগ তা জানে: হানিফ

hanifরাঙামাটি: পাহাড়ের অস্ত্রধারীদের আলোচনায় আসার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। না হলে এর পরিণাম ভালো হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, অস্ত্রের সঙ্গে কীভাবে মোকাবেলা করতে হয় তা আওয়ামী লীগের জানা আছে।

সোমবার রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হানিফ এসব কথা বলেন।

হানিফ বলেন, ‘১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ১৯৯৭ সালে শান্তি চুক্তি করে। এর মাধ্যমে পাহাড়ে শান্তির সুবাতাস বইতে শুরু করে। কিন্তু এখনো দাবি দাওয়া আদায়ের নামে যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে তারা অস্ত্রের ভাষা পরিহার করে যদি কোনো সমস্যা থাকে আলাপ আলোচনা করে সমাধান করুক। অস্ত্র ছেড়ে দিয়ে আলোচনার পথে বসুক।’

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্ছারণ করে বলেন, ‘আর যদি কোনো নেতাকর্মীর ওপর বিচ্ছিন্নভাবে কোনো সমস্যা হয় তাহলে কীভাবে মোকাবেলা করতে হয় তা আমরা জানি এবং সেটা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী করবে। অন্যায় করে কেউ পার পাবে না।’

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দীপংকর তালুকদারের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, এনামুল হক শামীম, উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, উপদপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়াসহ জেলা, উপজেলা ও কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেন।

সভায় বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, শান্তিচুক্তির পরও রাঙামাটি আওয়ামী লীগকে ধ্বংসের পাঁয়তারা চালাচ্ছে আঞ্চলিক দল। সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আগামী নির্বাচনে রাঙামাটিতে নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে।

বর্ধিত সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দীপংকর তালুকদার অভিযোগ করেন, অবৈধ অস্ত্রধারীদের হুমকির মুখে অনেক নেতা সভায় যোগ দিতে রাঙামাটি আসতে পারেননি।

আলোচনা সভার আগে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন নেতারা। পরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেন তারা।

news portal website developers eCommerce Website Design
Close ads[X]