সৌদিতে দূর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু

নোয়াখালী প্রতিনিধি: সৌদি আরবের জেদ্দায় কাজ করার সময় আহত বাংলাদেশি মোয়াজ্জেম হোসেন বাকের (৩৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন। এর আগে গত ১৬ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) স্থানীয় সময় সকাল ১১টার সময় কাজ করতে গিয়ে দূর্ঘটনার শিকার হন তিনি।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে সৌদির কিং ফাহাদ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত মোয়াজ্জেম হোসেন বাকের নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের মতইন গ্রামের মাওলানা বাড়ীর মাওলানা সামছুল হকের ছেলে। তিনি এক মেয়ে ও দুই ছেলের জনক।

নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে তার চাচাতো ভাই মো. ফখরুল ইসলাম জানান, পরিবারে সচ্চলতা আনতে কয়েক বছর আগে সৌদি আরবের জেদ্দায় যায় বাকের। ওইখানে বিভিন্ন নতুন ভবন ও মার্কেটে চুক্তি নিয়ে বিদ্যুতের কাজ করত সে। সর্বশেষ গত ২০১৬ সালের ১৯ মে বাংলাদেশ থেকে তার কর্মস্থল জেদ্দায় যায় বাকের।
প্রতিদিনের ন্যায় গত ১৬ই জানুয়ারি মঙ্গলবার সকালে একটি নির্মানাধীণ ভবনে বিদ্যুতের কাজ করছিল বাকের ও তার কয়েকজন শ্রমিক। কাজ করা অবস্থায় স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে ভবনের একটি ব্লক (পাথরের খন্ড) ভেঙে বাকেরের শরীরে পড়ে। এতে বাকেরের বুকের হাড় ভেঙে সে অচেতন হয়ে পড়ে।

পরে শ্রমিক ও তার ভাই মোনাব্বর হোসেন সাকের তাকে দ্রুত উদ্ধার করে সৌদির কিং ফাহাদ হাসপাতালে ভর্তি করে। গত কয়েকদিনে হাসপাতালে কয়েক দফা অপারেশন হয় বাকেরের। কিন্তু তখনও পর্যন্ত তার অবস্থার কোন উন্নতি বা জ্ঞান ফেরেনি। সবশেষ গত ২৩ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার রাত ১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরো জানান, নিহত মোয়াজ্জেম হোসেন বাকেরের লাশ দ্রুত দেশের আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

এদিকে, শনিবার বাকের’এর মৃত্যুর খবর গ্রামের বাড়ীতে পৌঁছলে এক শোকের মাতম সৃষ্টি হয়। কান্না ভেঙে পড়েন নিহতের বাবা মাওলানা সামছুল হক, মা জাহানারা বেগম, স্ত্রী নাছরিন আক্তার, ছেলে-মেয়েসহ আত্মীয় স্বজনরা।

news portal website developers eCommerce Website Design
Close ads[X]