নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই খালেদা জিয়াকে সাজা : নজরুল ইসলাম খান

nazrul islam khan
ফাইল ছবি

nazrul islam khanফরিদপুর: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও শ্রমিক নেতা নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, খালেদা জিয়া বারবার গ্রেফতার হয়েছেন। কিন্তু এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। এবার তাকে সাজা দেয়াছে। আইনে রয়েছে, কেউ দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত হলে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই সাজা দেয়া হয়েছে। স্বামীর নামে প্রতিষ্ঠিত ট্রাস্টের টাকা খালেদা জিয়া আত্মসাৎ করেছেন একথা আওয়ামী লীগের অনেক নেতাও বিশ্বাস করেন না।

সাবেক মন্ত্রী, বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য কেএম ওবায়দুর রহমানের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার বিকেলে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়ায় ডেইরি ফার্ম মাঠে আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, সরকার কোনোভাবেই খালেদা জিয়ার দুর্নীতির প্রমাণ করতে পারে না। দুর্নীতি দমন আইনে তাকে সাজা দেয়া হয়নি। তাকে সাজা দেয়া হয়েছে পেনাল কোড অনুযায়ী। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে আন্দোলনে প্রতিনিয়ত বাঁধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সবাই সভা করতে পারবে, শুধু বিএনপি পারবে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে আজ গণতন্ত্র কোথায়? বিনা-ভোটের এই অনির্বাচিত সরকারের জন্য আমরা স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছিলাম? জনগণ আজ পরিবর্তন চায়। আর সেটাই এই সরকারের ভয়। সে কারণে তারা নির্বাচন দিতে চায় না। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন ফলাফল নাকি নির্ধারিত হয়েই আছে। মানুষ তাদেরকে বারবার খেলতে দেবে না। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, যেদেশের প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করতে হয়, সেদেশে সুবিচারের আশা কম। তারপরেও আমরা সুবিচার আশা করি। কারণ, আমরা মনে করি বিচারকরা তাদের বিবেকের দ্বারা তাড়িত হবেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের অন্যতম উপদেষ্টা সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান খান হাবিব বলেন, উচ্চ আদালতে বেগম জিয়ার জামিন নিয়ে নাটক হচ্ছে। সরকারের নির্দেশমতো ৭৩ বছরের প্রবীণ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমানের কন্যা শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু বলেন, বর্তমান সরকার দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় জেলে ভরে রেখেছে। হামলা-মামলা, দমনপীড়ন ছাড়া এই সরকার আর কিছু পারে না। এভাবে র‌্যাব-পুলিশ আর প্রশাসনকে ব্যবহার করে সরকার বিরোধী নেতাকর্মীদের দমন করে রাখতে পারবে না।

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য সরদার নাসিরুদ্দিন কালু, ফরিদপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ঈসা, জেলা যুবদলের সভাপতি আফজাল হোসেন খান পলাশ, ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপি সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, সালথা উপজেলা বিএনপি সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, নগরকান্দা উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ শাহিনুজ্জামান, বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, শওকত শরীফ, ছাত্রদল নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ।

এর আগে বিকেল ৪টায় নেতৃবৃন্দ কেএম ওবায়দুর রহমানের বাড়িতে পৌঁছেন এবং কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ ও রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।

এদিকে, কেএম ওবায়দুর রহমানের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা বিএনপির উদ্যোগে বাদ আসর শহরের চকবাজার জামে মসজিদে এবং

news portal website developers eCommerce Website Design
Close ads[X]