ছাত্রলীগ কর্মী হত্যা : খুনিদের গ্রেফতারে আল্টিমেটাম

police logoখাগড়াছড়ি: খাগড়াছড়িতে ছাত্রলীগ কর্মী মো. রাসেল হত্যাকাণ্ড ঘিরে জেলাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। খাগড়াছড়ি জেলা শহর ও শহরতলীতে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সংঘাতের আশঙ্কায় জেলা শহরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সেইসঙ্গে হত্যাকারীদের গ্রেফতারে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ।

রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের এক বিক্ষোভ মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে এ আল্টিমেটাম দেয়া হয়। জেলা শহরের কদমতলী এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে আদালত চত্বর হয়ে শাপলা চত্বরের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ প্রেস ক্লাবের সামনে বাধা দেয়।

পরে প্রেস ক্লাব এলাকায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু, জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দফতর বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল চাকমা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. নুরুল আযম, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাবেদ হোসেন ও খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি টেকো চাকমা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

ছাত্রলীগ কর্মী রাসেল হত্যাকাণ্ডের জন্য খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র মো. রফিকুল আলম ও তার অনুসারীদের দায়ী করে বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে।

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মেয়র মো. রফিকুল আলম, তার ছোট ভাই দিদারুল আলম, হত্যাকাণ্ডে জড়িত মোমিনসহ অপর আসামিদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেয়া হবে।

এদিকে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এরপরপরই নিহত ছাত্রলীগ কর্মী মো. রাসেলের বাড়িতে ছুটে যান ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি।

এদিকে, হত্যাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে জানিয়ে খাগড়াছড়ি সদর থানা পুলিশের ওসি মো. সাহাদাত হোসেন টিটো বলেন, হত্যকারীদের গ্রেফতারে ইতোমধ্যেই মাঠে নেমেছে পুলিশ।

news portal website developers eCommerce Website Design
Close ads[X]