আরামদায়ক খাবার ফালুদা

ডেস্ক রিপোর্ট: সারাদিন রোজা রাখার পর অনেকেই ভাজাপোড়া খাবার খেতে চান না। কারণ এসব খাবার গ্যাস্ট্রিকসহ পাকস্থলীতে নানা সমস্যার সৃষ্টি করে। তাই যারা ইফতারে একটু আরাম পেতে চান তাদের জন্য উৎকৃষ্ট খাবার হল ফালুদা।

এটি একাধারে ঠাণ্ডা এবং স্বাস্থ্যসম্মত। শুধু তাই নয়, ফালুদা পুষ্টিগুণেও ভরা। এটি প্রায় সব ধরনের রেস্তোরাঁতেই পাওয়া যায়। এছাড়া রোজার সময় বিভিন্ন ইফতারির বাজারেও ফালুদা বিক্রি হয়।সেখান থেকেও চাইলে অনায়াসেই ফালুদা সংগ্রহ করা যায়।

রাজধানীর বিভিন্ন ইফতারির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রোজাদারদের কাছে ফালুদার একটা আলাদা চাহিদা রয়েছে। তাই রোজাদারদের সামর্থ্য অনুযায়ী নানা আকারের ফুড গ্রেডেড বক্সেও ফালুদা বিক্রি হচ্ছে। যাতে বাড়িতে পরিবারের সবাই একসঙ্গে খাবারটির স্বাদ নিতে পারেন।

ফালুদা তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সাগু দানা, দই, ঘন দুধ, চিনি, সিদ্ধ করা নুডলস, পেস্তা বাদাম কুচি, কাজু বাদাম, স্ট্রবেরি, আম, কলা আপেল, আঙ্গুর কুচি, বেদানা, খেজুর, জেলি, বরফ কুচি। পানি দিয়ে সাগু দানা ও নুডলস সিদ্ধ করে নেয়া হয়। দই, ঘন দুধ, চিনি একসঙ্গে জ্বাল দিয়ে ঘন করে ঠাণ্ডা করা হয়। তারপর একটি বাটিতে প্রথমে সিদ্ধ সাগু দানা ও নুডলসের পর ঘন মিশ্রণটি দেয়া হয়। এরপর এতে কাজু বাদাম কুচি, কলা, নানা ফলের টুকরো, বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করা হয়।

রাজধানীর গুলশানের নানা রেস্তোরাঁয় অতি উৎকৃষ্টমানের ফালুদা তৈরি করা হয়। এখানকার বেশিরভাগ ফালুদার সঙ্গে আইসক্রিম দেয়া হয়, যা ফালুদার স্বাদ আরও বাড়িয়ে দেয়। এ এলাকায় ফালুদার দাম ৫০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে।

বেইলি রোডের ক্যাপিটালের ইফতারির বাজারে ছোটবড় দুই ধরনের বাটিতে ফালুদা পাওয়া যায়।ছোট বাটি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা এবং বড় বাটি ৩০০ টাকা।

স্টার হোটেল অ্যান্ড কাবাবের রেস্টুরেন্টগুলোতেও ফালুদা বিক্রি হচ্ছে।এখানকার ফালুদার দাম ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। রাজধানীর হোটেল আল রাজ্জাকের ফালুদার বেশ নামডাক আছে। অন্যান্য হোটেলের মতো এখানেও রোজায় ফালুদা বিক্রি হয় প্লাস্টিকের বিভিন্ন কন্টেইনারে। সবচেয়ে ছোটটির দাম ১০০ টাকা। আর সবচেয়ে বড়টির দাম ৫০০ টাকা।

লালবাগের রয়েল, মিরপুরের প্রিন্স, মালিবাগের আবুল হোটেল, মোহাম্মদপুরের নবাবী ভোজেও উৎকৃষ্টমানের ফালুদা বিক্রি হয়। এসব রেস্টুরেন্টে ফালুদা বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ৩০০ টাকায়।