চট্টগ্রামে জামায়াত-শিবিরের ২১০ নেতা-কর্মী আটক

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম মহানগরীর স্টেশন রোড়স্থ পর্যটন করপোরেশন নিয়ন্ত্রিত মোটেল সৈকতে অভিযান চালিয়ে জামায়াত শিবিরের ২১০ জন নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।শনিবার রাতে গ্রেপ্তারের পর রোববার সকালে তাদের সবার বিরুদ্ধে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছে। কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন গ্রেপ্তার ও মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মোটেল সৈকতে ‘পারাবত’ নামের একটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের অনুষ্ঠান চলাকালে পুলিশ পুরো মোটেল ঘেরাও করে এই অভিযান পরিচালনা করে।

পুলিশ জানায়, জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা গোপন বৈঠক করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাত ৮টা থেকে মোটেল সৈকত ঘেরাও করে অভিযান চালায়। রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত একটানা অভিযান চালিয়ে এই মোটেল থেকে জামায়াত-শিবিরের ২১০ জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি ও আন্তর্জাতিক ইসলামী ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার আ জ ম ওবায়দুল্লাহ ও শিবিরের মহানগর দক্ষিণ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার সৈয়দ আব্দুর রউফ জানান, ‘পারাবত’ সাংস্কৃতিক সংগঠন নামে ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরীর (দক্ষিণ) কমিটি গঠনের জন্য জনশক্তি জড়ো করেছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শতাধিক পুলিশ মোটেল সৈকতে দুই ঘণ্টা ঘেরাও করে অভিযান চালিয়ে ২১০ জনকে আটক করে।

সিএমপির উপকমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মোস্তাইন হোসাইন জানান, জামায়াত-শিবির সাংস্কৃতিক সংগঠনের নামে ঈদ পুনর্মিলনীর আড়ালে গোপন বৈঠক করছিল। তারা অনুষ্ঠানের জন্য পুলিশের কাছ থেকে কোনো ধরনের অনুমতি নেয়নি। গাপন খবরের ভিত্তিতে জানতে পেরে পুলিশ অভিযান চালায়। মোটেল সৈকত ঘেরাও করে সেখান থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃত ২১০ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় রোববার সকালে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।