সরকারি হলো ২৭১ বেসরকারি কলেজ

Ministry of Education

আরও ২৭১টি বেসরকারি কলেজকে সরকারিকরণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠান সরকারি করা হয়েছে। এ নিয়ে দেশে সরকারি কলেজ ও সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাড়াল ৫৯৮টিতে।

রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, ‘সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারী আত্মীকরণ বিধিমালা-২০১৮’ এর আলোকে জেলা ও উপজেলাধীন ২৭১টি কলেজ ৮ আগস্ট হতে সরকারি করা হলো।’

যেসব উপজেলায় সরকারি কলেজ নেই, সেখানে একটি করে কলেজকে জাতীয়করণের প্রতিশ্রুতি রয়েছে সরকারের। এর অংশ হিসেবে ২০১৬ সালে বেসরকারি কলেজকে জাতীয়করণের জন্য তালিকাভুক্তির কাজ শুরু হয়। তার মধ্যে থেকে যাচাই-বাছাই শেষে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর ২৭১টি কলেজ সরকারি হলো। এসব কলেজে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষক রয়েছেন।

সরকারি হওয়া কলেজগুলোর মধ্যে ঢাকা জেলার ৪টি, মানিকগঞ্জের ৪টি, নারয়ণগঞ্জের ৩টি, মুন্সীগঞ্জের ৩টি, গাজীপুরের ৩টি, নরসিংদীর ৪টি, রাজবাড়ির ২টি, শরীয়তপুরের ৪টি, ময়মনসিংহের ৮টি, কিশোরগঞ্জে ১০টি, নেত্রকোনার ৫টি, টাঙ্গাইলে ৮টি, জামালপুরে ৩টি, শেরপুরে ৩টি, চট্টগ্রামে ১০টি, কক্সবাজারে ৫টি, রাঙামাটি ৪টি, খাগড়াছড়িতে ৬টি, বান্দরবানে ৩টি, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ফেনীতে একটি করে, কুমিল্লায় ১০টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬টি, চাঁদপুরে ৭টি, সিলেটে ৯টি, হবিগঞ্জে ৫টি, মৌলভীবাজারের ৫টি, সুনামগঞ্জে ৮টি, রাজশাহীতে ৭টি, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২টি, নাটোরে ৩টি, পাবনায় ৭টি, সিরাজগঞ্জে ৩টি, নওগাঁ জেলায় ৬টি, বগুড়ায় ৬টি, জয়পুরেহাটে একটি, রংপুরে ৭টি, নীলফামারীতে ৪টি, গাইবান্ধায় ৪টি, কুড়িগ্রামে ৭টি, দিনাজপুরে ৯টি লালমনিরহাটে ৩টি, ঠাকুরগাঁওয়ে ১টি, পঞ্চগড়ে ৪টি, খুলনায় ৫টি, যশোরে ৫টি, বাগেরহাটে ৬টি, ঝিনাইদহে একটি, কুষ্টিয়ায় ২টি, চুয়াডাঙ্গায় ২টি, সাতক্ষীরায় ২টি, মাগুরায় ৩টি, নড়াইলে একটি, বরিশালে ৬টি, ভোলায় ৪টি, ঝালকাঠিতে ৩টি, পিরোজপুরে দুটি, পটুয়াখালীতে ৬টি, বরগুনায় তিনটি করে কলেজ রয়েছে।

‘সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারী আত্মীকরণকৃত বিধিমালা ২০১৮’ এর আওতায় এসব কলেজের শিক্ষকদের সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অধীনে পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যাডারভুক্তির সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে বেসরকারি কলেজ শিক্ষকদের ক্যাডারভুক্তির সুযোগ রাখা নিয়ে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা ও সরকারি হতে যাওয়া কলেজ শিক্ষকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে।

বিধিমালা অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা থাকলে বেসরকারি কলেজের যেকোনো শিক্ষক শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক পদে নিয়োগ পেতে পিএসসির অধীনে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। পিএসসির সুপারিশ পেলে তাকে শিক্ষা ক্যাডারে প্রভাষক পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আর ক্যাডারভুক্তি শিক্ষকরা বিভিন্ন সরকারি কলেজ ও দপ্তরে বদলিও হতে পারবেন।

তবে সরকারি হতে যাওয়া কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষকরা নন-ক্যাডার হিসেবে নিজ নিজ পদে নিয়োগ পাবেন। তাদের চাকরি আর বদলিযোগ্য হবে না।

news portal website developers eCommerce Website Design
Close ads[X]