ফারজানা মণি’র কবিতা

 

অবাধ্যতায় শরৎ

বিকেলের ছাদগুলো
প্রেমিকহীন কুমারীর মতো- ফ্যাকাসে।
বিপ্লবী শরৎ শুধু মনে মনেই পোড়ে

উপরে বরফের টুকরো- কাশবনের মেঘ…

বিলবোর্ড পাস হয়ে এলে নবদম্পতির শরীরে দ্বিগুণ আন্দোলন।
মুক্তিকে আকাশে না খুঁজে মাটিতে খুঁজো

পাঁচ আঙুলের নখেও
ফিরিয়ে আনা যায়
অবাধ্য রাতের ইতিহাস।

 


সিক্সটিন থিওরি

একদিন অকথ্য হয়ে যাবো
ঢেউয়ের উপর সিক্সটিন থিওরি। আলতা রাঙা হয়ে গেলে ঠোঁটেও তৃষ্ণা লাগে-

আয়রন পাহাড় গুলো কাটতে বসেছি। এক ভাগে খাতা, পেন্সিল, বই-

এক গ্লাস তরমুজের জুস।

শরীর ক্লান্ত হয়ে গেলে
আমাকে গোপন হত্যায় বেছে নিতে হয়
ভায়াগ্রার প্যাকেট।

ভাসা ভাসা জার্নালগুলোও আমি মুড়িয়ে নেই
কারনেশন ফুলের তোড়ায়…

 

 

কনফার্মেশন

কাকে যেনো ঘুমুতে বলেছিলাম
ইট কাঠের পাথরে- নেপচুন এলাকায় মদ মদ গন্ধ।

বাজার পার হয়ে রাস্তা যখন নীরবের হাতে সঁপে দেয় নিজেকে
নির্বাসিত ঘরগুলো তখন
এক পয়সায় বিক্রির
দরদামে ব্যস্ত…..

বলি কি-
আমাদের ফুরোতে নেই,
কনফার্মেশন মেসেজ না এলেও নতুন করে
সেন্ড বাটনে প্রেশার দিয়ে বলতে হয়
নেক্সট মান্থ জম্পেশ এরেঞ্জ হবে।